Comilla TV - The First online TV of Comilla

কুমিল্লায় হিজড়াদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী

কুমিল্লা.টিভি

প্রকাশিত : ০৭:১৮ পিএম, ৩ মার্চ ২০২০ মঙ্গলবার

ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

কুমিল্লা সদরসহ জেলার সর্বত্র হিজড়াদের চাঁদাবাজির যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। তাদের চাঁদাবাজির কারণে অনেক জায়গায়ই লাঞ্চিত হচ্ছে অনেক ভদ্র পরিবার। লোক-লজ্জার ভয়ে অনেক সময় নীরবে সহ্য করেন অনেকে। আবার অনেকে প্রতিবাদও করেন।
প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে হিজরাদের আচরণ হয়ে যায় একেবারেই অশালীন। বিশেষ করে বিয়েসহ যেকোনো অনুষ্ঠান হলেই সে স্থানে তাদের আগমন হয়ে যায় এক প্রকার ক্যাডারের মতো। এসব অনুষ্ঠানে হাজার টাকার নিচে দিলেই শুরু হয় বচসা।

জানা যায়, সাধারণ মানুষের সহানুভূতি, সহযোগিতা ও সহায়তার উপর নির্ভর করেই চলে হিজড়া সম্প্রদায়ের জীবন-যাপন। তবে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে দোকানিদের ওপর হামলে পড়া, বিয়েসহ সামাজিক অনুষ্ঠান, বাসাবাড়িতে নবজাতকের আগমনের খবরে দলবলে হাজির হয়ে পরিবারের থেকে টাকা আদায়, যৌন প্রতারণা, যেকোনো বিনোদনস্থানে কাউকে জিম্মি করে সর্বস্ব লোপাট- এমন বহু অভিযোগ হিজড়াদের কয়েকটি দলের বিরুদ্ধে রয়েছে।

হিজড়ারা বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নামে বিভক্ত হয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি করছেন। গেল কয়েক মাস ধরে তাদের মাত্রাতিরিক্ত অসদাচরণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নগরবাসী।

কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের সামনে, রাস্তার পাশে দোকানে, ফুটপাতের দোকানে জোর করে তারা চাঁদাবাজি করছে। বাসা-বাড়িতে গিয়ে হিজড়ারা চাঁদা চায়, টাকা না দিলে হুমকিসহ নানা ধরনের অশ্লীল ভাষা ও অঙ্গভঙ্গি করে এক ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে টাকা-পয়সা দিতে বাধ্য করছে তারা।

নগরীর দক্ষিণ চর্থা এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম জানান, চাঁদা দিতে হয়। নয়তো তারা অপমান করে। কোনো একটা অনুষ্ঠান করতে গেলে দলবল নিয়ে চলে আসে তারা। বলতে লজ্জা হয় তারপরেও বলছি, মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা হিজড়াদের হাতে জিম্মি হয়ে আছি। এ বিষয়ে প্রশাসনের নজর দেয়া উচিত।

দিশাবন্দ গ্রামের নারগিস বেগম জানান, প্রায়ই বাসায় এসে চাঁদা দাবি করে। নয়তো জামা কাপড় নিয়ে যায়। ভাঙচুর করে। তাই বাধ্য হই চাঁদা দিতে। নয়তো বড় কোনো ক্ষতি করে ফেলে।

 

 

এই বিভাগের জনপ্রিয়